শনিবার, ০৬ মার্চ ২০২১, ০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আমাদের অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী তিমির এক বমিতে রাতারাতি কোটিপতি এই নারী অভিনেতা অঙ্কুশের সহকারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ভোটের লড়াইয়ে তিন নতুন তারকা মোস্তাফিজকে নিয়ে যা বললেন রাজস্থান চেয়ারম্যান চাটমোহর পৌর সদরে ৪টি রাস্তা নির্মাণকাজের উদ্বোধন করলেন মেয়র সিরাজগঞ্জে ৩ দিনের শোক ; উল্লাপাড়া সরকারি আকবর আলী কলেজ মাঠে এইচ টি ইমামের প্রথম নামাজে জানাযা প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচটি ইমামের মৃত্যুতে আলহাজ্ব মোঃ বাকী বিল্লাহর শোক প্রকাশ এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে ভাংগুড়া পৌর মেয়র গোলাম হোসনাইন রাসেলের শোক প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচটি ইমামের মৃত্যুতে এমপি মকবুল হোসেনের শোক প্রকাশ

সৌদিতে একজনের মৃত্যুদণ্ড বাংলাদেশি গৃহকর্মী হত্যার দায়ে

অনলাইন ডেস্ক:
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
  • ১৭ সময় দর্শন

বাংলাদেশি এক গৃহকর্মী হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় গৃহকর্ত্রীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে সৌদি আরবের অপরাধ আদালত। এ ঘটনায় গৃহকর্তাকে কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হয়েছে।

বিবিসি জানিয়েছে, ১৫ই ফেব্রুয়ারি মামলার প্রধান আসামী গৃহকর্ত্রী আয়েশা আল জিজানীর বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃত এবং সুনির্দিষ্টভাবে হত্যাকাণ্ড সংঘটনের দায়ে এ রায় ঘোষণা করা হয়।

আদালত কেসাস বা ‘জানের বদলে জানের’ রায় প্রদান করে।

নিহত ওই বাংলাদেশি গৃহকর্মীর নাম মোছা. আবিরন বেগম। সৌদি আরবে কোনো বাংলাদেশি হত্যার ঘটনায় এই প্রথম মৃত্যুদণ্ড দেয়া হলো।

২০১৯ সালের ২৪ মার্চ সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের আজিজিয়ায় সৌদি গৃহকর্ত্রীর নির্যাতনে নিহত হন বাংলাদেশি গৃহকর্মী আবিরন বেগম যা পরবর্তীতে হত্যাকাণ্ড বলে হাসপাতালের ফরেনসিক রিপোর্টে জানা যায়।

রায়ে আলামত ধ্বংসের অভিযোগ, আবিরন বেগমকে নিজ বাসার বাইরে বিভিন্ন জায়গায় কাজে পাঠানো ও চিকিৎসার ব্যবস্থা না করার পৃথক অভিযোগে গৃহকর্তা বাসেম সালেমকে মোট ৩ বছর ২ মাস কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার সৌদি রিয়াল (১১ লাখ ২৭ হাজার টাকা) জরিমানা করেছেন আদালত।

অপর আসামি সৌদি দম্পতির কিশোর পুত্র ওয়ালিদ বাসেম সালেমকে সুনির্দিষ্টভাবে হত্যাকাণ্ডে সহযোগিতা করার প্রমাণ পায়নি বলে জানান। তবে আবিরন বেগমকে বিভিন্নভাবে অসহযোগিতা করায় তাকে সাত মাসের কিশোর সংশোধনাগারে থাকার আদেশ দিয়েছেন।

খুলনার পাইকগাছার বাসিন্দা আবিরন বেগম স্থানীয় এক দালালের সাহায্যে ঢাকার একটি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে ২০১৭ সালে সৌদি আরবে যান।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন নিহতের পরিবার, নিয়োগকারী সংস্থা, মন্ত্রণালয়, দূতাবাস সব জায়গায় খোঁজখবর নিয়ে ডিসেম্বরে একটি প্রতিবেদন জমা দেয়।

সেখানে উল্লেখ করা হয়, সৌদি আরবে যাওয়ার পর থেকেই মধ্যবয়সী আবিরনকে পিটিয়ে, গরম পানিতে ঝলসে এবং আরও নানাভাবে নির্যাতন করা হয়। সাত মাস সেখানকার এক মর্গে আবিরনের লাশ পড়ে ছিল।

প্রতিবেদনে অভিযুক্তদের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনের আওতায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ক্ষতিপূরণ আদায়ের সুপারিশ করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন - রায়তা-হোস্ট সহযোগিতায় : SmartiTHost
smartit-ddnnewsbd