বুধবার, ২০ জানুয়ারী ২০২১, ০৩:০৪ অপরাহ্ন

মাশরাফির ক্যারিয়ার সেরা বোলিং

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ২৩ সময় দর্শন

সংবাদ ডেস্ক: একেই হয়তো নিয়তি বলে! ফিটনেসজনিত কারণে প্রথমে টুর্নামেন্টে খেলারই কথা ছিল না তার, রাখা হয়নি প্লেয়ার্স ড্রাফটে। তবে পরের পরিস্থিতি মাথায় রেখে বিশেষ বিবেচনায় খেলানোর সুযোগটা রাখা হয়েছিল। সেটি কাজে লাগিয়ে ফিটনেস পরীক্ষা দিয়ে লটারির মাধ্যমে পেয়েছেন জেমকন খুলনার হয়ে খেলার সুযোগ। কিন্তু প্রশ্ন থেকেই গিয়েছিল, এমন হুট করে মাঠে নেমে কেমন করবেন মাশরাফি?

এ প্রশ্নের উত্তর দিতে তিন ম্যাচ সময় নিলেন মাশরাফি। প্রথম দুই ম্যাচে করেছেন চলনসই বোলিং। তবে মূল জাদুটা দেখালেন টুর্নামেন্টের অপ্রতিরোধ্য দল গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের বিপক্ষে কোয়ালিফায়ারের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে। তার বোলিং জাদুতে কোয়ালিফায়ার ম্যাচটি জিতে সোজা ফাইনালে চলে গেছে খুলনা, ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে মাশরাফি নিয়েছেন ৩৫ রানে ৫টি উইকেট। স্বাভাবিকভাবেই জিতেছেন ম্যাচসেরার পুরস্কার।

শুরুতে জোড়া উইকেট নিয়ে গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের ভিত নড়িয়েছেন, পরে মাঝে দ্বিতীয় স্পেলে বোলিংয়ে এসে ভাঙেন ৭৩ রানের জুটি আর শেষে লেজ মুড়ে দেয়ার কাজটিও করেছেন সফলতার সঙ্গে; যেন মাশরাফির কাছেই হার মেনেছে চট্টগ্রামের পুরো ব্যাটিং লাইনআপ। নিজের ৪ ওভারে ৩৫ রান খরচায় ৫টি উইকেট নিয়েছেন মাশরাফি। এটি তার টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং ফিগার। এর আগে সেরা বোলিং ছিল বিপিএলে নেয়া ১১ রানে ৪ উইকেট।

মাশরাফির করা ইনিংসের প্রথম ওভারে ঝড় তুলেছিলেন চট্টগ্রামের ওপেনার লিটন দাস। দ্বিতীয় বলে বাউন্ডারি দিয়ে শুরু, চতুর্থ বলে হাঁকান ছক্কা। কিন্তু পঞ্চম বলে নেয়া সিঙ্গেলটিই যেন বিপদ ডেকে আনে চট্টগ্রামের জন্য। মাশরাফির শেষ বলে ছক্কা হাঁকানোর চেষ্টায় ডিপ মিড উইকেটে দাঁড়ানো শামীম পাটোয়ারির হাতে ধরা পড়েন সৌম্য সরকার, ফেরেন গোল্ডেন ডাক নিয়ে।

আলআমিন হোসেনের পরের ওভারে একটি চার ও ছয়ের মারে ১২ রান তুলে নেন লিটন। কিন্তু এমন ঝড়ো শুরুটা ধরে রাখতে পারেননি টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। ইনিংসের চতুর্থ ও মাশরাফির করা দ্বিতীয় ওভারে বাউন্সের তারতম্য বুঝতে না পেরে বোল্ড হন ১৩ বলে ২৪ রান করা লিটন। দুই ওভারে ১৭ রান খরচায় ২ উইকেট নেয়ার পর তাকে আক্রমণ থেকে সরান খুলনার অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

তৃতীয় উইকেটে ৪৭ বলে ৭৩ রানের জুটি গড়ে ফেলেন মাহমুদুল হাসান জয় ও মোহাম্মদ মিঠুন। দ্বিতীয় স্পেলে বোলিংয়ে এসেই এ জুটি ভাঙেন মাশরাফি। তার করা দ্বাদশ ওভারের প্রথম বলে ২৭ বলে ৩১ রান করা মাহমুদুল জয়ের ক্যাচ নেন ইমরুল কায়েস। মিঠুন ও জয়ের জুটি ভাঙার পর ফের মাশরাফিকে বোলিং থেকে সরান মাহমুদউল্লাহ, আনেন ১৮তম ওভারে।

সেই ওভারের প্রথম তিন বলে ৮ রান দেন মাশরাফি। কিন্তু পরের তিন বলের মধ্যেই ফেরান শামসুর রহমান (১০ বলে ১৮) ও মোস্তাফিজুর রহমানকে (২ বলে ০), নিয়ে নেন ক্যারিয়ার সেরা বোলিং ফিগার।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন - রায়তা-হোস্ট সহযোগিতায় : SmartiTHost
smartit-ddnnewsbd