শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১, ০৫:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
উল্লাপাড়া পৌরসভার ভোটগ্রহণ ৭টি কেন্দ্র অতি ঝুঁকিপূর্ণ বরুণ ধাওয়ান ও নাতাশা দালালের বিয়ে মুম্বাই শহরের আলিবাগে বিশ্বে করোনাভাইরাসে ২০ লাখের বেশি মানুষের মৃত্যু রাণীশংকৈল দোকান কর্মচারী শ্রমিক ইউনিয়নের শুভ উদ্ভোধন ও অভিষেক অনুষ্ঠান পাবনার ভাঙ্গুড়া,চাটমোহর ও ফরিদপুর প্রেসক্লাব সাংবাদিক ফোরাম গঠিত ভাঙ্গুড়া পৌরসভা নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন:ভোট কাল:মেয়র ও এক ওয়ার্ড কাউন্সিলর বিনা প্রদ্বিন্দিতায় নির্বাচিত করোনা টিকা ছাড়ছে বেক্সিমকো, প্রতি ডোজ ১১২৫ টাকা! ওজন কমাতে মৌসুমি ফল রাখুন খাদ্য তালিকায় আমি মুখ খুললে জায়েদ মুখ দেখাতে পারবে না: পপি টের স্টেগেন প্রতিপক্ষের প্রথম দুটি শট ঠেকিয়ে ফাইনালে নিল বার্সাকে

কাকড়ার ক্রেতার চাহিদা বেশি থাকায় চলনবিলে তাড়াশ উপজেলার বাজারেগুলোতে কাকড়া বিক্রি হচ্ছে

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২০
  • ২১ সময় দর্শন

চলনবিলের তাড়াশ উপজেলার বর্তমানে মাঠ থেকে পানি নামার সময় জেলেদের খরা জালে প্রচুর কাকড়া ধরা পড়ছে। তাড়াশ পৌর বাজার , মান্নাননগর বাজারসহ বিভিন্ন অস্থায়ী বাজারে এই ধরা পড়া কাকড়া বিক্রি হচ্ছে । ধর্মীয় দৃষ্টিতে মাকরুহ হওয়ায় মুসলিমরা না কিনলে অমুসলিমদের কাছে প্রিয় হওয়ায় চাহিদা প্রচুর । সরজমিনে জানা যায়, চলনবিলের প্রাণকেন্দ্র তাড়াশ উপজেলার বিল থেকে পানি নামার সময় খরা জালগুলোতে বড় বড় আকারের কাকড়া ধরা পড়ছে । তাড়াশ পৌর শহরের শুভ হোটেলের সামনে, মান্নান নগরের আড়ত সহ উপজেলার বিভিন্ন অস্থায়ী মাছের বাজারে ধরা পড়া কাকড়া বিক্রি হচ্ছে । তাড়াশ সদর বাজারের কাকড়া বিক্রেতা আবুল কালাম জানান, ওয়াবধাবাধ এলাকায় জেলে রমজান আলীর, রেজাউল করিম সহ কয়েকজন জেলের খরা জালে ধরা গড়া কাকড়াগুলো শহরের এই অস্থায়ী বাজারে প্রতিদিন সকালে বিক্রি করেন । কাকড়া ক্রেতা ও শহরের ব্যবসায়ী দুলাল চন্দ্র জানান তিনি ৩শ টাকা দরে ১ কেজি কাকড়া কিনলেন।

 

কাকড়া বিক্রেতারা জানান, পানি চলে যাওয়ার মুহুর্তে এই সময়ের কাকড়া বড় সাইজের হয়েছে এবং একজন জেলে প্রতিদিন ৭ থেকে ১০ কেজি কাকড়া পায় ফলে ৩শ টাকা দরে বিক্রি করা তারা আর্থিক ভাবে লাভবান হচ্ছে । আবুল কালাম আরো জানান বিগত বছর গুলো কাকড়াগুলো পাইকারী আড়তে বিক্রি হতো এবং এবারই প্রথম কাকড়ার দাম ভাল পাওয়ায় জেলেরা কাকড়া ধরে তাড়াশ এলাকার স্থানীয় বাজারে বিক্রি করতে উৎসাহী হয়েছে । তাড়াশ উপজেলা মৎস কর্মকর্তা মোঃ মশগুল আজাদ জানান, দেশের দক্ষিণ অঞ্চলে সাতক্ষীরা জেলায় বানিজ্যিকভাবে রপ্তানির জন্য কাকড়া চাষ করা হয় । কাকড়া ও চিংড়া একই জাতীয় খাবার এবং মুসলিম ধর্মের অনুসারীরা মাকরুহ জনিত কারণে চিংড়ি খেলেও কাকড়া খায়না । কাকড়া খাওয়ায় বিষয়টি সামাজিক ভাবে নিরুৎসাহিত রয়েছে ফলে সাধারনত বিক্রি হয় না ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন - রায়তা-হোস্ট সহযোগিতায় : SmartiTHost
smartit-ddnnewsbd