শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভাঙ্গুড়ায় ইউএনও’র ভাষা চর্চা ক্লাবে শিক্ষার্থীদের উপচে পড়া ভিড়! ভাঙ্গুড়ায় গ্রাহকের সঞ্চয়ের টাকা নিয়ে উধাও এনজিও সরকারি ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন স্কুলে ভর্তি অনিয়ম ! ভুগছেন শিক্ষার্থী-অভিভাবক! অধ্যক্ষকে শোকজ ডোনাল্ড লুর হাই প্রোফাইল সফর- অংশগ্রহণমূলক আগামী সংসদ নির্বাচন দেখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র দেশের উন্নয়নে দিশেহারা হয়ে বিএনপি আবোল তাবল বকছে,খালেদা জিয়ার কথায় দেশ চলবে এটা বিএনপির দু:স্বপ্ন – এমপি মকবুল ভাঙ্গুড়ায় তীব্র শীতে এক কৃষকের মৃত্যু আজ ১০০ মহাসড়ক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী প্রার্থিতা জমা নেয়ার পর হঠাৎ নির্বাচন বন্ধ করে দিলেন প্রধান শিক্ষক বিএনপির সংসদ সদস্যরা জমা দিলেন পদত্যাগপত্র ভাঙ্গুড়ায় মেয়াদোত্তীর্ণ কোভিড-১৯ টিকা পুশ নিয়ে জটিলতা! অধিদপ্তরের মেয়াদ বৃদ্ধি

হয়রানির কারণে নারীরা ছাড়ছে সোশ্যাল মিডিয়া

অনলাইন ডেস্ক:
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২০
  • ২১১ সময় দর্শন

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ব্যবহার বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মেয়েদের হয়রানি, নিপীড়নও বাড়ছে৷ ২২টি দেশের  সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ব্যবহারকারী ৬০ ভাগ নারী হয়রানির কারণে এ মাধ্যম ছেড়েছেন৷

প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালের এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। ২২টি দেশের নারীদের নিয়ে করা একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, প্রায় ৬০ শতাংশ অল্প বয়সী নারী সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে কোনো না কোনোভাবে নিপীড়ন বা হয়রানির মুখোমুখি হয়েছে৷ সবচেয়ে বেশি হয়রানির শিকার হয়েছে ফেসবুকে, এর পরে রয়েছে ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ এবং স্ন্যাপচ্যাট৷

প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল পরিচালিত এই সমীক্ষায় ২২টি দেশের ১৫ থেকে ২৫ বছর বয়সী মোট ১৪ হাজার নারী অংশ নেয় ৷ গবেষকরা ভুক্তভোগী অনেকের খুঁটিনাটি বিষয়ে সাক্ষাৎকারও নিয়েছেন ৷

জরিপে অংশ নেওয়া দেশগুলোর মধ্যে ব্রাজিল, বেনিন, যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতও রয়েছে৷ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হয়রানির শিকার যারা হয়েছে, তাদের মধ্যে শতকরা ৩৯ জন ফেসবুকে এবং বাকিরা ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ, স্ন্যাপচ্যাট, টুইটার ও টিকটকের মাধ্যমে৷

আপত্তিকর ভাষা ব্যবহার, বিব্রতকর কথাবার্তার কারণে অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহার বন্ধ করে দিয়েছে বা খুবই কম ব্যবহার করছে৷ অংশগ্রহণকারীদের ২২ শতাংশ জানিয়েছে, তারা শারীরিক নির্যাতনের ভয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম থেকে দূরে সরে গেছে৷

সংখ্যালঘু, জাতিগত বৈষম্য বা অন্যান্য সম্প্রদায়ের অন্তর্গত নারীদের ক্ষেত্রে হয়রানির ঘটনা অনেক বেশি ঘটে থাকে বলেও গবেষণা প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে৷

প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালের সিইও অ্যান-বির্গিট আলব্রেক্টসেন বলেন, অনলাইনে হয়রানি শারীরিকভাবে না হলেও এতে মেয়েরা ভয়ে থাকে, যা তাদের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করে৷ নারীদের নিজেদেরই আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে অনলাইন সহিংসতা মোকাবেলা করতে হবে৷

যদিও ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রাম এ ব্যাপারে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানিয়েছে৷ তবে সমীক্ষায় দেখা গেছে, কোনো কিছুই এখনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নারীদের হয়রানি বন্ধ করতে পারেনি৷

সূত্র : ডয়চেভেলে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন - রায়তা-হোস্ট সহযোগিতায় : SmartiTHost
smartit-ddnnewsbd