শনিবার, ০৬ মার্চ ২০২১, ০৫:২১ অপরাহ্ন

ভাঙ্গুড়ায় কোরবানির পশুর হাটে পর্যাপ্ত আমদানি কিন্তু বাইরের ক্রেতা নেই, খামারীরা হতাশ

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২০
  • ৩৬১ সময় দর্শন

ভাঙ্গুড়া প্রতিনিধি :
পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় আজ শনিবার পৌরসভার শরৎনগর পশুর হাটে গরু-ছাগলের পর্যাপ্ত আমদানি হয় কিন্তু ক্রেতার সংখ্যা কম ছিল। করোনা পরিস্থিতির কারণে এবার অনেকেই একা একটি গরু কোরবানি করতে পারছেন না। আবার বাইরেরও এলাকায় এবার পশু যাচ্ছেনা। অথচ এলাকার খামারীরা এ বছর অনেক বেশি করে কোরবানির পশু প্রস্তুত করেছে। এছাড়া উপজেলার বেশির ভাগ এলাকা বন্যায় প্লাবিত হওয়ায় খামারীরা বাধ্য হয়েই তাদের গরু-ছাগল বিক্রির জন্য হাটে তুলছেন।

শরৎনগর হাটে গরু বিক্রি করতে আসা উপজেলার বাঁশবাড়িয়া গ্রামের শহিদ প্রামানিক বলেন,যে গরুর দাম ৮০ হাজার টাকা তার দাম হচ্ছে মাত্র ৬০ হাজার টাকা। হাটের ব্যাপারি আজমত আলী ও জমিন উদ্দিন প্রমামানিক বলেন,আমরাও বেশি করে গরু কিনতে সাহস পাচ্ছিনা , যদি পরে লস খাই! এছাড়া প্রতিবছর কোরবানির একমাস আগে ঢাকার বড় ব্যাপারিরা এসে দাম চড়িয়ে দিত শনিবার পর্যন্ত তাদের কোন খবর নেই। তাই স্থানীয় ক্রেতারাই একমাত্র ভরসা।

এলাকার খামারীরা জানান,করোনা পরিস্থিতির কারণে একটি পশুর পিছনে অনেক বেশি খরচ হয়েছে। খৈল,ভুষির দাম দু’তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আশা করা হয়েছিল এবার দাম আরো বেশি পাওয়া যাবে কিন্তু বাজারে তার উল্টো চিত্র। চরভাঙ্গড়–া গ্রামের খামারী চীন সরকার বলেন,ক্রেতার অভাবে পশুর দাম আরো হ্রাস পাওয়ার আশংকায় আমরা হতাশ। কলকতি গ্রামের খামারী রবি সরদার বলেন,লাভের আশায় পশু পালনে সমস্ত অর্থ বিনিয়োগ করে এখন লোকসানের মুখে পড়েছি।

ভাঙ্গুড়া উপজেলা পশু সম্পদ কর্মকর্তা ডা: তোফাজ্জল হোসেন বলেন,কোরবানিকে উদ্দেশ্য করে এখানকার খামারীরা অনেক বেশি পশু পালন করেছে। অন্যান্য বছর এই উদ্বৃত্ত গরু ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে যেত কিন্তু এবার বাইরের ব্যাপারিরা না আসায় খামারীরা ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন - রায়তা-হোস্ট সহযোগিতায় : SmartiTHost
smartit-ddnnewsbd